শুক্রবার | ৪ঠা এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ভোর ৫:০৬
শিরোনাম :
কফি রিফিল প্যাকেজিংয়ে বৈপ্লবিক পরিবর্তন: অ্যামকর আনলো ‘রিসাইকেল-রেডি’ পেপার পাউচ খাদ্যপণ্য মোড়কজাতের নানা অনিয়ম, পর্যবেক্ষণ এবং সুপারিশ ফরিদপুরে পলিথিন বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনের আধুনিক প্ল্যান্ট উদ্বোধন সঙ্কুচিত নাকি স্ট্রেচ র‍্যাপ? ব্যবসার জন্য সেরা পছন্দ কোনটি? প্লাস্টিক খেকো কীটের সন্ধানে বিজ্ঞানীরা, মিলছে সম্ভাব্য সমাধান অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল এখনও কেন প্যাকেজিংয়ের প্রধান উপাদান প্লাস্টিক তৈরির গোপন রহস্য – কীভাবে জন্ম নেয় আমাদের দৈনন্দিন সঙ্গী? উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিপণনে প্যাকেজিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা TIPA-এর নতুন উদ্ভাবন: উন্নত হোম কম্পোস্টেবল ফিল্ম ITC Packaging-এর নতুন থার্মোফর্মড কম্বিকাপ
চট্টগ্রামে প্লাস্টিক কারখানার আগুন: পথে বসলো শতাধিক ব্যবসায়ী

চট্টগ্রামে প্লাস্টিক কারখানার আগুন: পথে বসলো শতাধিক ব্যবসায়ী

চট্টগ্রামের আতুরার ডিপু আমিন বাজারে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক ব্যবসায়ীর কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১০ মার্চ) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এই আগুন লাগে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আগুনে শতাধিক সবজি ও ফলের আড়ত পুড়ে যায়। বিশেষ করে কলা, আনারস, পেঁয়াজ, আলু এবং অন্যান্য কাঁচামালের বিশাল স্তুপ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়। এছাড়া, প্লাস্টিক কারখানা, ঝুটের গোডাউন ও প্রায় ৫০টি বসতঘর আগুনে পুড়ে যায়।

ব্যবসায়ীদের দাবি, আগুনে তাদের আনুমানিক থেকে কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এক ব্যবসায়ী বলেন, “আমার দোকানে প্রায় ৪ লাখ টাকার মালামাল ছিল, সব শেষ হয়ে গেছে।” অগ্নিকাণ্ডের সময় অনেক ব্যবসায়ী তাদের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে একদল দুর্বৃত্ত লুটপাট চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৭টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রথমে পানির সংকট থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়। স্থানীয়রা আগুন নেভাতে সহযোগিতা করলেও, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ সময় লেগে যায়।

আগুনের সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের ধারণা, পাশের একটি প্লাস্টিক কারখানা থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

অগ্নিকাণ্ডের ফলে মুরাদপুর-অক্সিজেন সড়কে যান চলাচল কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও সেনাবাহিনীও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা এখন চরম দুর্দশায় পড়েছেন, বিশেষ করে ঈদের আগে এমন ক্ষতি তাদের জন্য বড় ধাক্কা। ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারের কাছে দ্রুত সহায়তা চেয়েছেন।

 

শেয়ার করুন





Translate Site »